বাংলা বেস্ট ফানি পোস্ট ২০১৯ /২০। best bd funny face book post



বিসমিল্লাহহির রাহমানির রাহিম।  
বাংলা  বেস্ট ফেসবুক ফানি পোস্ট ২০১৯ /২০





নান্টু ও ছল্টুর মধ্যে কথোপকথন চলছে - নান্টু : শালা, এতদিনে একটা মেয়েও পটাতে পারিনি। ছল্টু : ও আচ্ছা, তুই কি মেয়েদের  পছন্দ করিস? নান্টু : হুম। ছল্টু : তুই কি চাস মেয়েরা তোকে ভালোবাসুক? নান্টু : হ্যাঁ, চাই। ছল্টু : তুই কি চাস মেয়েরা সারা দিন তোকে ঘিরে থাকুক? নান্টু : অবশ্যই চাই। ছল্টু : তাহলে বাজারে গিয়ে ফুসকা বিক্রি কর।



1. মন্টু  এক মেয়ের বাবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন- মন্টু : স্যার, প্রেম জিনিসটা কেমন? মেয়ের বাবা: প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে করি ঘৃণা। মন্টু:  আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।



2. ফুটপাতে এক কন্টু কে  শুয়ে থাকতে দেখে জামেদ আলি বলল- জামেদ : ওই ব্যাটা, আরামে ঘুমায় আছোস, কাম করতে পারোছ না? কন্টু; কাম কইরা কী করমু? লোক: কাম করলে টাকা কামাইতে পারবি। কন্টু;: টাকা কামাইয়া কী করমু? জামেদ; টাকা কামাইলে বাড়ি-গাড়ি হইবো।  কন্টু: বাড়ি-গাড়ি দিয়া কী করমু? জামেদ;  আরামে ঘুমাইতে পারবি। কন্টু (একটো জোর দিয়ে) : তো আমি এতক্ষণ কী করতাছিলাম শালা ?



3. আদালতে আসামির কাঠগড়ায় পঞ্চাশোর্ধ হাকু ;- উকিল: আপনি এক কুমারী মেয়েকে জড়িয়ে ধরছিলেন কেন? হাকু:; জজ সাহেব! আমার খুব ঠান্ডা লাগতেছিল তো । ঠিক তখনই দেখলাম এই মেয়েটির টি-শার্টে লেখা ছিলো যে , ‘আই অ্যাম হট’। তাই আমি একটু গরম হওয়ার জন্য ওকে জড়িয়ে ধরেছি।


4.
হব্বর  অনেক মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকলো। কিন্তু সে ঘরে না ঢুকে ভুল করে সরাসরি গোয়াল ঘরে ঢুকে পড়লো। তারপর গরুর লেজ ধরে বলল- মাতাল: কিগো বল্টুর মা, প্রতিদিন দুটো করে বেণী করো। আজ একটা বেণী কেন?


5.
প্রেমিকা:;  জানু, এবার ভালো করে দেখে বলো না,,, আমার শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে সুন্দর?, প্রেমিক: হুম, সেটা হলো এমন একটা জিনিস; যেটা দেখতে নারিকেলের মতো গোল ও সাদা। তার ভেতরে আরো দুইটা বৃত্ত আছে, বৃত্তের উপর ডট। !!!!! প্রেমিকা: শয়তান!!!! কী বলতে চাস? প্রেমিক: সেটা হলো তোমার চোখ।


6.
নেকবর একবার পূর্ণিমা রাতে এক গোরস্থানের পাশ দিয়ে একা যাচ্ছিল। তার খুব ভয় ভয় লাগছিল! হঠাৎ দেখলো যে, এক লোক কবরের পাশে বসে আছে! লোকটিকে দেখে তার কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল- পল্টু: একা একা ভয় লাগছিল! আপনাকে দেখে একটু সাহস হলো! কিন্তু এ সময় আপনি এখানে কী করেন? লোক: কবরে খুব গরম লাগতেছিল! তাই বাইরে এসে একটু বাতাস খাচ্ছি নেকবর তো পোরাই বেহশ!!!!!


7.
ছেলে : মা মা, আজকে কি ঈদ? মা : না তো, কেন কি হইছে? ছেলে : না মানে, ভাইয়াকে দেখলাম পাশের বাড়ির আপুর সাথে কোলাকুলি করছে। মা : কি বললি হারামজাদা!"""


8.
পল্টু প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় রসিকতা করে তার স্ত্রীকে বলে- পল্টু : বিদায়, ওগো চার সন্তানের মা। একই কথা প্রতিদিন শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে একদিন পল্টুর স্ত্রী সত্যটা বলেই ফেলল- স্ত্রী : টা-টা, ওগো দুই সন্তানের বাবা।


9.
স্বামী : আমাকে সত্যি করে বলো, বিয়ের আগে তুমি কয়জনের সাথে প্রেম করেছো? স্ত্রী : ঠিক আছে দাঁড়াও। এই যে ড্রামটা দেখ। আমি যত ছেলেদের সাথে প্রেম করতাম, ততটি চাল এটাতে ফেলেছিলাম। স্বামী গিয়ে দেখল ওটাতে মাত্র দু’টি চাল আর ২শ’ টাকা আছে। দেখে এসে বলল- স্বামী : ও! মাত্র দু’জনের সাথে প্রেম করেছো? এই যুগে এগুলো কিছু না। স্ত্রী : তাই? স্বামী : কিন্তু এই দুইশ’ টাকা কিসের? স্ত্রী : টাকাটা কিসের বুঝলে না? স্বামী : না তো! স্ত্রী : গত সপ্তাহেও এই ড্রাম থেকে চার কেজি চাল বিক্রি করেছিলাম। এটা তারই টাকা।


10.
গিল্টু তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান। সে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে শহরে থাকে। একদিন গিল্টু তার মাকে ফোন করে বলল- গিল্টু : মা, একটা খুশির খবর আছে। মা : খুশির খবর! তো তাড়াতাড়ি বল? গিল্টু : মা, আমরা দু’জন থেকে এখন তিন জন হয়ে গেছি। মা : সংবাদটা এতো দেরিতে দিলি কেন? ছেলে হয়েছে নাকি মেয়ে? গিল্টু : না, মা। ওসব কিছু না। মা : তাহলে কী? গিল্টু : মা, আমার বউ আরও একটা বিয়ে করেছে।


11.
এক মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে। লাল্টু তার দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়েটি লাল্টুকে তাকিয়ে থাকতে দেখে বলল- মেয়ে : কী দেখছেন এভাবে? লাল্টু : আপনাকে। মেয়ে : শয়তান ছেলে! এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন? জীবনে কি কখনো মেয়ে দেখিস নাই? তোর ঘরে কি মা-বোন নাই? লাল্টু : মা-বোন তো আছে, কিন্তু দাদি নাই! আপনি দেখতে একদম আমার দাদির মতো!


12.
চিকিৎসক : যে প্রেসক্রিপশনটা আপনাকে লিখে দিয়েছিলাম, তা ঠিকমতো ফলো করছেন তো? রোগী : ওই প্রেসক্রিপশনটা ফলো করলে নির্ঘাত মারা যেতাম। চিকিৎসক : মানে? রোগী : ওই প্রেসক্রিপশনটা ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিল যে।


13.
শিক্ষক : আমার হাত দেখছোস? বাবু : হ্যাঁ! শিক্ষক : এক থাপ্পড়ে সব দাঁত ফেলে দেব? বাবু : আমার পা দেখেছেন? শিক্ষক : কী, কী করবি তুই? বাবু : বেশি কিছু করব না। শুধু এক দৌড়ে পালিয়ে যাব।


14.
এক বৃদ্ধ বারে গিয়ে মদ গিলতো। আর মাতাল হয়ে তার গায়ের চাদর হারিয়ে আসতো। তাই তার স্ত্রী খুব বকতো। একদিন বৃদ্ধ ঠিক করলো, আজকে বারে যাওয়ার আগে গায়ের সাথে চাদরটা খুব টাইট করে গিট্টু দিয়ে নেবে। তাহলে আর হারাবে না। রাতের বেলা খুব করে মদ খেয়ে বৃদ্ধ বাসায় ফিরলো। ঢলতে ঢলতে স্ত্রীকে বলল- বৃদ্ধ : দেখেছো, আজকে গায়ের চাদর ঠিকঠাক আছে। স্ত্রী : তা ঠিক বলেছো, কিন্তু তোমার লুঙ্গি কই?


15.
একবার মোশাররফ করিম আমেরিকার একটি সমুদ্রসৈকতে সূর্যস্নান করছেন। এক ভদ্রলোক তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলেন- ভদ্রলোক: আর ইউ রিলাক্সিং? মোশাররফ: নো, আই অ্যাম মোশাররফ করিম। ভদ্রলোক এটা শোনার পর অবাক হয়ে চলে গেলেন। কিছুক্ষণ পর এক ভদ্রমহিলা মোশাররফ করিমকে জিজ্ঞেস করলেন- ভদ্রমহিলা: আর ইউ রিলাক্সিং? মোশাররফ: নো, আই অ্যাম মোশাররফ করিম। ভদ্রমহিলাও অবাক হয়ে চলে গেলেন। এমন আরো দু’জন একই প্রশ্ন করাতে মোশাররফ করিম বিরক্ত হয়ে উঠে হাঁটতে শুরু করলেন। একটু সামনে গিয়ে দেখেন বারাক ওবামা ছাতার নিচে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। মোশাররফ করিম কী যেন মনে করে তাকে জিজ্ঞেস করলেন- মোশাররফ: আর ইউ রিলাক্সিং? ওবামা: ইয়েস, আই অ্যাম। বাট হোয়াই? এটা শোনার পর মোশাররফ করিম কষে এক থাপ্পড় মারলেন বারাক ওবামাকে। রাগে ফুসতে ফুসতে বললেন- মোশাররফ: ওরে, ফইন্নির ঘরে ফইন্নি, ওইদিকে তরে সব মানুষ খুঁজতাছে আর তুই এইহানে ছাতার তলে বইয়া বাতাস খাইতাছোস?


16.
বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন- শিক্ষক: এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো। ছেলেটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল- ছাত্র: কে? আমি? শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।


17
মা ছেলেকে দুধ খেতে বলছে কিন্তু ছেলে দুধ খাচ্ছে না- মা: বাবা, দুধটা খেয়ে নে। তোর অনেক বুদ্ধি হবে। তুই আইনস্টাইন হতে পারবি। ছেলে: মা মা, সত্যি কি দুধ খেলে আইনস্টাইন হওয়া যায়? মা: হ্যাঁ রে, বাবা দুধ খেলে আইনস্টাইন হওয়া যায়। ছেলে: তাহলে গরুর বাচ্চাগুলো মানে আইনস্টাইন না হয়ে বড় হয়ে গরু হয় কেন?



This Is The Newest Post


EmoticonEmoticon