Showing posts with label ইসলামিক বিষয়. Show all posts
Showing posts with label ইসলামিক বিষয়. Show all posts

ফিতরার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পরিমান।

বিসমিল্লাহির  রাহমানির  রাহিম ।
আসসালামু আলাইকু।  সবাই কেমন আছে।
চলুন বন্ধুরা আজকে আমরা দেখে নিই এবারের রমজানের    ফিতরার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পরিমান।


 


চলতি বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা মাত্র ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ফিতরার সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১, ৯৮০ টাকা।

গত বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়।

গত বছর ফিতরার হার সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা ছিল।


শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দেন।  

রমজানের রোজা সম্পর্কেগুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস ।


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম । আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে রমজানের মোবারকবাদ। রমজান মাস অত্যন্ত ফযিলত পূর্ন একটি মাস। এ মাসে আমরা সকলেই নিজের পাপের বোঝা থেকে মুক্তি পেতে আাই। । আর পাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের কিছু কাজ করতে হবে। তাই আজ কে রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস পোস্ট করলাম। আশা করি আপনার উপকারে আসবে। আর আপনাদের কিছু বলার থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন দয়া করে।





💟💟💟রমজানের রোজা সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্ব পূর্ন হাদীস....💟💟💟


১.🕋 নবীজি (সা.) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন,, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন,"" যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো একদম বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়।"" (বুখারী, মুসলিম)🕋


২.🕌 হযরত সাহ্ল ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা.) এরশাদ করেছেন,"" বেহেশতের ৮টি দরজা রয়েছে। এর মধ্যে ১টি দরজা রয়েছে যার নাম রাইয়ান। রোজাদার ব্যতিত আর কেউ আর ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ""(বুখারী, মুসলিম) 🕌


৩. 🕍 হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, হুজুর (সা.) বলেছেন, ""যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমজান মাসের রোজা রাখবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের রাতে এবাদত করে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করে কাটাবে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। ""(বুখারী, মুসলিম) 🕍


৪. 🌃 রাসুল (সা.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেছেন, ""রোজা ছাড়া আদম সন্তানের প্রত্যেকটি কাজই তার নিজের জন্য। তবে রোজা আমার জন্য। আমি নিজেই এর পুরস্কার দেব। রোজা (জাহান্নামের আজাব থেকে বাঁচার জন্য) ঢাল স্বরুপ। তোমাদের কেউ রোজা রেখে অশ্লীল কথাবার্তায় ও ঝগড়া বিবাদে যেন লিপ্ত না হয়। কেউ তার সঙ্গে গালমন্দ বা ঝগড়া বিবাদ করলে শুধু বলবে, আমি রোজাদার। সেই মহান সত্তার কসম যার করতলগত মুহাম্মদের জীবন, আল্লাহর কাছে রোজাদারের মুখের গন্ধ কস্তুরীর সুঘ্রানের চেয়েও উওম। রোজাদারের খুশির বিষয় ২টি- যখন সে ইফতার করে তখন একবার খুশির কারণ হয়। আর একবার যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোজার বিনিময় লাভ করবে তখন খুশির কারণ হবে।"" (বুখারী)।🌃


৫. 🌆 হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন, রাসুলে পাক (সা.) বলেছেন, "রোজা এবং কোরআন (কেয়ামতের দিন) আল্লাহর কাছে বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, হে পরওয়ারদিগার! আমি তাকে (রমজানের) দিনে পানাহার ও প্রবৃত্তি থেকে বাধা দিয়েছি। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতের বেলায় নিদ্রা হতে বাধা দিয়েছি। সুতরাং আমার সুপারিশ তার ব্যাপারে কবুল করুন। অতএব, উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে (এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে)। ""(বায়হাকী)🌆


৬. 🌇হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ""যখন রমজানের প্রথম রাত আসে শয়তান ও অবাধ্য জিনদের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়। দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। অতপর এর কোনো দরজাই খোলা হয় না। বেহেশতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। অতপর এর কোনো দরজাই বন্ধ করা হয় না। এ মাসে এক আহ্বানকারী আহ্বান করতে থাকে, হে ভালোর অন্বেষণকারী! অগ্রসর হও। হে মন্দের অন্বেষণকারী! থামো। আল্লাহ তায়ালা এ মাসে বহু ব্যক্তিকে দোযখ থেকে মুক্তি দেন। আর এটা এ মাসের প্রতি রাতেই হয়ে থাকে।"" (তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ)।🌇


৭.🌘 হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন,"" যখন রমজান মাস উপস্থিত হতো রাসুল (সা.) সমস্ত কয়েদিকে মুক্তি দিতেন এবং প্রত্যেক প্রার্থনাকারীকে দান করতেন। (বায়হাকী) হাদিসের বইয়ে আরো পাওয়া যায়, নবী করীম (সা.) বলেছেন, কেউ যদি (রোজা রেখেও) মিথ্যা কথা বলা ও খারাপ কাজ পরিত্যাগ না করে তবে তার শুধু পানাহার ত্যাগ করা (অর্থাৎ উপবাস ও তৃষ্ণার্ত থাকা) আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।"" (বুখারী)🌖


৮. 🌜হযরত সালমান ফারসী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, ""একবার রাসুল (সা.) আমাদের শাবান মাসের শেষ তারিখে ভাষণ দান করলেন এবং বললেন, হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের প্রতি ছায়া বিস্তার করেছে এক মহান মাস, মোবারক মাস। এটি এমন মাস যাতে একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজাগুলোকে করেছেন (তোমাদের ওপর) ফরজ আর রাতে নামাজ পড়াকে তোমাদের জন্য করেছেন নফল। এই মাসে যে ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশে ১টি নফল আমল করল সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি এই মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায় করলো। এটা ধৈর্য্যের মাস। আর ধৈর্য্যের সওয়াব হলো বেহেশত। এটা সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস। এটা সেই মাস যে মাসে মুমিন বান্দার রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ মাসে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে তা তার জন্য গুনাহ মাফের এবং দোযখের আগুন থেকে মুক্তির কারণ হবে। এছাড়া তার ছওয়াব হবে রোজাদার ব্যক্তির সমান। অথচ রোজাদার ব্যক্তির সওয়াব কমবে না। এসব শুনে সাহাবীরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তি তো এমন সামর্থ রাখেনা যে রোজাদারকে (তৃপ্তি সহকারে) ইফতার করাবে? রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহ পাক এই ছওয়াব দান করবেন যে রোজাদারকে ইফতার করায় এক চুমুক দুধ দিয়ে, অথবা একটি খেজুর দিয়ে, অথবা এক চুমুক পানি দিয়ে। আর যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে তৃপ্তির সঙ্গে খাওয়ায় আল্লাহ তায়ালা তাকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন যার পর সে পুনরায় তৃষ্ণার্ত হবে না জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত। এটা এমন পবিত্র মাসের প্রথম দিক রহমত, মাঝের দিক মাগফিরাত, আর শেষ দিক হচ্ছে দোযখ থেকে মুক্তির। যে ব্যক্তি এই মাসে আপন অধীনস্থ দাস-দাসীদের কাজের বোঝা হালকা করে দেবে মহান আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন এবং তাকে দোযখ থেকে মুক্তি দান করবেন। ""(বায়হাকী)🌛


৯. 💒""হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এ সম্পর্কে আরেকটি বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেছেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, অনেক রোজাদার ব্যক্তি এমন রয়েছে যাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত জাগরণকারী এমন রয়েছে যাদের রাত জাগার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (নেক আমল যদি এখলাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে না হয়ে লোক দেখানোর উদ্দেশে হয় তাহলে এর বিনিময়ে কোনো সওয়াব পাওয়া যায় না)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)""💒


১০🕋. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) আরো বলেছেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন,"" যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে শরীয়ত সম্মত কোনো কারণ ছাড়া রমজানের একটি রোজাও ভাঙে সে রমজানের বাইরে সারাজীবন রোজা রাখলেও এর বদলা হইবে না।"" (তিরমিযী, আবু দাউদ)🕋


১১. 🕌হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ""তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না, ১. রোজাদারের দোয়া ইফতার করা পর্যন্ত, ২. ন্যায়পরায়ণ বাদশাহর দোয়া, ৩. মাজলুমের দোয়া। আল্লাহ তায়ালা তাদের দোয়া মেঘমালার ওপর উঠিয়ে নেন এবং এর জন্য আসমানের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। আর আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমার ইজ্জতের কসম! বিলম্বে হলেও আমি অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করব।"" (মুসনাদে আহমাদ হাদিস : ৯৭৪৩, জামে তিরমিযি হাদিস ৩৪২৮, ইবনে মাজাহ হাদিস : ১৭৫২)🕌


১২.🎆 হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ""আল্লাহ তাআলার কসম! মুসলমানদের জন্য রমযানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমযান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির মাসও আর আসেনি। কেননা মুমিনগণ এ মাসে (গোটা বছরের জন্য) ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ করে। আর মুনাফিকরা তাতে মানুষের উদাসীনতা ও দোষত্রুটি অন্বেষণ করে। এ মাস মুমিনের জন্য গনীমত আর মুনাফিকের জন্য ক্ষতির কারণ।""-মুসনাদে আহমদ, হাদীস ৮৩৬৮, মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদীস-৮৯৬৮, সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস-১৮৮৪, তাবারানী হাদীস-৯০০৪, বাইহাকী শুয়াবুল ঈমান, হাদীস-৩৩৩৫🎆


১৩. ♥ হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘""রোযা এবং কুরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোযা বলবে, আমি তাকে দিনের বেলায় পানাহার ও প্রবৃত্তির চাহিদা মেটানো থেকে বিরত রেখেছি। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। কুরআন বলবে, আমি তাকে রাতে ঘুম থেকে বিরত রেখেছি। সুতরাং আমার সুপারিশ কবুল করুন। তখন দু’জনের সুপারিশই গ্রহণ করা হবে।-""মুসনাদে আহমদ হাদীস : ৬৫৮৯; তবারানী, মাজমাউয যাওয়াইদ ৩/৪১৯ ♥


১৪. 🌋""ইতিকাফ হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে পালিত জিবরীল আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নত। জিবরীল আ. প্রতি রমজানেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কুরআন শুনাতেন এবং নিজেও তাঁর থেকে শুনতেন। আর যে বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওয়াফাত হয় সে বছর তিনি দু’বার কুরআন শুনান এবং শোনেন"" (বুখারী ও মুসলিম)।🌋


১৫. ‘🌃🌃""রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অধিক দানকারী ছিলেন, তবে তিনি সবচে’ বেশি দান করতেন যখন জিবরীল আ. তাঁকে কুরআন শুনাতেন। আর জিবরীল আ. রমজানের প্রতি রাতেই তার সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁকে কুরআন শেখাতেন। যখন জিব্রিল আ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি বেগবান বাতাস থেকেও অর্থকড়ি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অধিক দানশীল হতেন"!’ (বুখারী ও মুসলিম)।🌃🌃


১৬. 🏜🏜""রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইতিকাফ করা কখনো বাদ দেননি। তিনি প্রতি বছর দশ দিন ইতিকাফ করতেন। আর যে বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়াফাত ফরমান, সে বছর তিনি বিশ দিন ইতিকাফ করেন। উপরন্তু যখন তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করতে প্রতিযোগিতা শুরু করলেন, তিনি ইতিকাফ করা ছেড়ে দিলেন এবং তা শাওয়ালের প্রথম দশকে কাজা করে নিলেন ""(বুখারী)।🏜🏡


















পবিত্র মাহে রমজানের অগ্রিম শুভেচ্ছা বার্তা এসএমএ।



বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। 
আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অনেক অনেক অভিনন্দন।  বছরের ১২ টি মাসের মধ্যে সর্বোত্তম মাস হচ্ছে এই রমজান মাস। এ মাসের আমল আল্লাহর কাছে অধিক  প্রিয়। তাই আসুন আমরা রমজানের  জন্য প্রস্তুতি নিই। আর বন্ধু দের সাথে রমযানের অগ্রীম শুভেচ্ছা  বার্তা এসএমএস  শেয়ার  করি। আর আপনার  কোন মতামত বা অভিযোগ থাকলে দয়া করে কমেন্ট করে জানাবেন। 





🌹🌹🌹 এই রমজানের আপনি শান্তি ও সমৃদ্ধির মধ্যে চরম আনতে পারে. লাইট অন্ধকার ওভার জয়জয়কার মে. শান্তির পৃথিবী অতিক্রম করতে পারে. আলোর আত্মা বিশ্বের জ্বালান পারে. রমজান মুবারক🌹🌹🌹


 🌹🌹🌹** আযানেরই পুণ্যে আমি তুমি হতে চাই যে ধনবান সেই ধনের বিনিময়ে পাব রোজাদারের পুরষ্কার,রাইয়্যান! আল্লাহ্‌ তায়ালার দান, মোবারক হো..মোবারক হো..মাহে রমজান !**🌹🌹🌹

মাহে রমজানের পিকচার। 



 🌹🌹🌹*** নামাজ রোজা আমরা কাজা করবো না ভাই কভু,,. নয়তো রাজা দিবেন কঠিন সাজা যিনি মোদের প্রভু,,. নামাজ রোজা অনেক সোজা ইচ্ছে যদি করি মোরা ,,. মনের মতো সময় মতো নামাজ রোজা করো,, পণ করো আজ পড়বো নামাজ রাখবো সদা রোজা,,. তা না হলে ই তো পরকালে পেতে হবে মোদপর সাজা,,. বেহেস্তেতে থাকবো মেতে হবে যে কত মজা… **🌹🌹🌹


 🌹🌹🌹 **জান্নাতের নেটওয়ার্ক হলো ”আল ইসলাম”, :::সিম কার্ড হল ”ঈমান”। :::বোনাস হলো ” রমযান ” ,:: :রিচার্জ হলো ” নামাজ ” ,::আর আমাদের হেলপ লাইনহল ”আল কোরআন”।** ***🌹🌹🌹 🌹


🌹🌹 সামনে আসছে রোজা.... ;, হালকা করবো মোদের গোনাহের বোঝা,...; মোরা যদি করি অনেক পাপ চেয়ে নেব মাফ....;এসো বন্ধু নিয়ত করি,আজ থেকে সবাই পাঁচওয়াক্ত নামাজ পরি....**🌹🌹🌹



 🌹🌹🌹** ইফতার পর্যন্ত রোজাদারের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করে থাকেন। আল হাদিস ** ** " 🌹🌹🌹


 🌹🌹🌹রোজাদার দের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর তাআলার কাছে মেশকের চেয়ে বেশী ঘ্রানযুক্ত " আল হাদিস **🌹🌹🌹


 🌹🌹🌹**"আজ আমি প্রার্থনা যে, সুখ আপনার দরজার হতে। এটা প্রথম দিকে গরিব মে দেরী থাকুন এবং আল্লাহর দান ছেড়ে শান্তি, প্রেম, আনন্দ ও পিছনে সুস্বাস্থ্যের"" 🌹🌹🌹 *



🌹🌹🌹* ★★রমজানের ইন .★★ সব খাদ্য সামগ্রী নেভিগেশন মার্কিন 55% ছাড়!!" কাতার প্রতি খাদ্য আইটেম তার খরচ দাম নেভিগেশন বিক্রি হবে.!!!! কুয়েত 50% ডিসকাউন্ট এবং কিনতে 1 সব খাদ্য সামগ্রী বিনামূল্যে 1 পেতে . সব খাদ্য সামগ্রী নেভিগেশন সৌদি 25% ছাড় . বাংলাদেশ 5% ডিসকাউন্ট . খাদ্য সামগ্রী দাম পাকিস্তান 150% বৃদ্ধি শুভ রমজান, কোন বন্ধুকে আমাদের কাফ্রির করতে পারেন🌹🌹🌹


 🌹🌹🌹★★ .বেশি বেশি দান করে ,দানের সওয়াব নিও তুলে তাহাজ্জুদের পুণ্য টুকু নিতে মন যেন না যায় ভুলে পড়বে কোরআন প্রতিদিন সুরের দরজা খুলে সেই কোরআনের মধুর সুরে সবার মন উঠবে আনন্দে দুলে।★★ . 🌹🌹🌹



 🌹🌹🌹** ""রমজান এর 01 মাস "" ""রহমত 04 সপ্তাহ"" ""এফডিসির এর 3o দিন"" ""বরকত এর 72O H0urs""" ""QABULIAT এর 4320O মিনিট"" "" আর MAGHFIRAT এর 2592O0O সেকেন্ডের""" আসুন আমরা এর সঠিক ব্যবহার করি।**🌹🌹🌹 🌹



🌹🌹** সামনে আসছে রোজা...,হালকা কর মোরা গোনাহের বোঝা,যদি করে থাকো পাপচেয়ে নাও মাফ....এসো সবাই নিয়ত করি...,আজ থেকে সবাই পাঁচওয়াক্ত নামাজ পরি.... সুন্দর জীবন গরি....🌹🌹🌹




 *🌹🌹🌹* ***ভুলেও যেন একটি রোজা বন্ধু তোমার না হয় ক্বাযা.... ফকীর নয়, তারাবীর নামাযের পুণ্যের যেন হতে পারো বন্ধু তোমি রাজা,,,হেসে খেলে ভুল করে হায় !!!! পেওনা ভুলের কঠিন সাজা!!!!!!🌹🌹🌹



 🌹🌹🌹** ***এলো রে এলো রে ওই মাহে রমজান----- মানবজাতির তরে আল্লহতায়ালার শ্রেষ্ঠ দান---- পুণ্যের সূর্য উদয় হলো, পাপের হলো অবসান--- জং গুলো সব ঝেরে দিয়ে,ঈমান করবে শাণ---- রহমতেরই ডালি নিয়ে আসছে ওই তো মাহে রমজান!!!!!🌹🌹🌹



THANKS YOU....... 

পবিত্র মাহে রমজানের ক্যালেন্ডার ২০১৯ ডাউনলোড

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
সবাইকে পবিত্র  মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও প্রাণ ঢালা অভিনন্দন।আজকে আমরা জেনে নিব পবিত্র মাহে রমজানের সময় সূচি ২০১৯। শুধু জানাই নয়...  আমনারা চাইলে এখান থেকে ডাউনলোড ও করতে পারবেন ২০১৯ সালের মাহে রমজানের ক্যালেন্ডার।রমজানের সময় সূচি জানা টা আমাদের কাছে খুবই গুরত্ব পূর্ন একটি বিষয়। কেননা সঠিক সময়ে সাহরি বা ইফতার করতে না পারলে রোজা পরিপূর্ণ হবে না। তো অাসেন আমরা দেখে নেই রমযান মাস 2019 কোন মাসের কত তারিখে শুরু হয়.......




  রমজান কেলেন্ডার  ২০১৯


Mahe Romjan wish sms 2019


Bismilahhir Rahmanir Rahim.
Romadan wish sms English....




## I want you to be in the realization of Ramadan that the wealth of wealthy Ravi is rewarded by the pawn rosadara ! God Tealala's donation, Mobarak Ho..Mobarak Ho..Majh Ramadan! ##


## They prayed for Iftar rojadarera the al-hadith ##


## rojadarera odor in the mouth of God is greater than Meshech ghranayukta al-hadith ##


##Fasting is coming forward, light and sinless, if you do not forgive sins, then do so. ##


#৳Do not forget that a fasting friend! Neither Qaza is a fakir, but it is possible to praise the Tarabir Prayer, if the king laughs, it is wrong to play! The difficult sentence of the wrong mistake! ##


#৳Come on, come ray. The great Ramadan of Allahdess Mahabharata will be the best of all the offerings of the Goddess of the sun arising from the sun, the end of the sin will end in the jungle, all believe in the truth, that it is bringing the pulse of saint grace!##



## Look at that! All friends ... Who will take the precious treasure of mine today? If you can take the diamond, panna, jewelery and jewelery for yourself, it will be the rich of the Hereafter or someone is rich in the next life, is there any money or any precious treasure? ##


## Give more donations, donate thawab nio, do not forget to take the tahajjudera tuku will not forget to read the Qur'an every day, the tune of the tune the heart of the heart of the Qur'an will be full of joy. ##


## Ramadan "1 month " Mercy " 4Of 3o days of" FDC " 72O H0urs of" blessing " 4320O minutes of " blessing "2592O0O seconds of" MAGHFIRAT ". ##



##Ramadan Mubarak SMS in Bangla 2019 This Ramadan can bring you a great deal of peace and prosperity. ##


## May Light of Light Over Light Can cross the world of peace The spirit of light could illuminate the world. Ramadan Mubar##


## If you do not pray fasting, do not pray khasarobu or brother kavu, or the king will be the lord of the lord, if you do fast, fasting, pray fasting, like time, do not be fasting today, if you do not fast, How much fun will be Meethheb ... ##


## Paradise Network Hall "Islam", ::: Sim is "Faith" ::: Bonus is "Ramadan", ::: Recharge is "Salat", :: and helpline "Quran". ##


## Fasting is coming forward, light and sinless, if you do not forgive sins, then do so.##


## In Ramadan. 55% of the US discount on all food items will be sold at the cost of food items per Qatar for its cost. Kuwait buy 50% discount and get 1 free of all food items. Saudi 25% discount on all food items. Bangladesh 5% discount The price of food items can increase 150% of the country Happy Ramadan, no friend can make our kafirir ##


## Today I pray that happiness to your door to be the first to knock on the late May Allah grant leave , peace, love, joy, and the health Happy Ramadan © 2019 ##

পবিত্র মাহে রমজানের ফযিলত সমূহ।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। 
আসসালামু আলাইকুম।
সবাই কেমন আছেন....? আশা করি অনেক ভালো আছেন। সবাইকে পনিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অনেক অনেক অভিনন্দন। রমজান মাস অত্যন্ত ফযিলত পূর্ণ একটি মাস।  জীবনের গুনা গুলো মাফ করার জন্য মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বিষেস নেয়ামাত।  এ মাসে অাল্লাহ অনেক অনেক ফযিলত দান করেছেন আমাদের  কল্যানের জন্য। অার আামাদের উচিত এই পবিত্র মাস এ আল্লাহর হুকুম গুলো সঠিকভাবে ভাবে আদায় করা। আসুন আমরা রমজানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু  ফযিলত দেখে নেই।আর আজকে দেখে নিব রমজানের ৩০ দিনের ৩০ টি ফযিলত। 



রমজানের ৩০ দিনের ৩০ফজিলত
১ম রমজানের ফযিলত  = ১ ম রমজানে রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়।


#২য় রমজানের ফযিলত  = ২য় রমজান রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়।


#৩য় রমজানের ফযিলত  =৩ য় রমজানে একজন ফেরেশতা আবারও রোজাদারের ক্ষমার ঘোষনা দেয়।


#৪র্থ রমজানের ফযিলত  =এই দিনে রোজাদারকে আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ণ সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।


#৫ম রমজানের ফযিলত = মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সাওয়াব দেওয়া হয়।


#৬ষ্ঠ রমজানের ফযিলত = ফেরেশতাদের সাথে ৭ম আকাশে অবস্থিত বাইতুল মামূর তাওয়াফের সাওয়াব প্রদান করা হয়।


#৭ম রমজানের ফযিলত = ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।


#৮ম রমজানের ফযিলত  =রোজাদারের উপর হযরত ইবরাহীম আঃ এর মতো রহমত- বর্ষিত হয়।


#৯ম রমজানের ফযিলত = নবী-রাসূলদের সাথে দাড়িয়ে ইবাদতের সমান সওয়াব দেওয়া হয়।


#১০ম রমজানের ফযিলত = রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়।


#১১তম রমজানের ফযিলত =রোজাদারের মৃত্যু নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ নিশ্চিত হয়।


#১২তম রমজানের ফযিলত = হাশরের ময়দানে রোজাদারের চেহারা পূর্ণিমা চাদের মতো উজ্জল করা হবে।


#১৩তম রমজানের ফযিলত =হাশরের ময়দানের সকল বিপদ থেকে নিরাপদ করা হবে।


#১৪তম রমজানের ফযিলত = হাশরের ময়দানে হিসাব- নিকাশ সহজ করা হবে।


#১৫তম রমজানের ফযিলত  = সমস্ত ফিরিস্তারা রোজাদারের জন্য দোয়া করে।


#১৬তম রমজানের ফযিলত = আল্লাহপাক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন ।


#১৭তম রমজানের ফযিলত = একদিনের জন্য নবীগনের সমান সাওয়াব দেওয়া হবে।


#১৮তম রমজানের ফযিলত  = রোজাদার এবং তার মা-বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ দেওয়া হয়।


#১৯তম রমজানের ফযিলত = পৃথিবীর সকল পাথর-কংকর টিলা- টংকর রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে।


#২০তম রমজানেরফযিলত  =আল্লাহরপথে জীবন দানকারী শহীদের সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।


#২১তম রমজানের ফযিলত = রোজাদারের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জল প্রাসাদ নির্মান করা হয়।


#২২তম রমজানের ফযিলত = হাশরের ময়দানের সকল চিন্তা থেকে মুক্ত করা হয়।


#২৩তম রমজানের ফযিলত = জান্নাতে রোজাদারের জন্য একটি শহর নির্মান করা হয়।


#২৪তম রমজানের ফযিলত  = রোজাদারের যে কোন 24টি দোয়া কবুল করা হয়।


#২৫তম রমজানের ফযিলত = কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।


#২৬তম রমজানের ফযিলত  =40 বছর ইবাদতের সমান সওয়াব প্রদান করা হয়।


#২৭তম রমজানের ফযিলত = চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে দেওয়া হয়।


#২৮তম রমজানের ফযিলত  = জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুন করা হয়।


#২৯তম রমজানের ফযিলত  = এক হাজার কবুল হজ্জের সাওয়াব প্রদান করা হয়।


#৩০তম রমজানের ফযিলত = পুরা রমজানের ফজিলত দ্বিগুন|
শেয়ার করে জানিয়ে দে সবাইকে😊😊😊



সবাইকে  রমজানের মোবারকনাদ........

বাংলা ইসলামিক উপদেশের এসএমএস।/ Bangla islamic sms


বিসমিল্লাহহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম। আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম কিছু ইসলামিক উপদেশের এসএমএস





যাকে ভয় করি..!!তার নাম হাশর...!!! যাকে বিশ্বাস করি..!!তার নাম কুরআন...!!! যার কাছে আমি ঋণী..!!তার নাম মা...!!! যাঁকে নেতা মানি...!!তিনি হলেন রাসূল(স)...!! যার কাছে মাথা নতকরি..!!তিনি হলেন আল্লাহ!!!


যদি কাঁদতে চাও, তবে নামাজ পড়ে আল্লাহর দরবারে কাঁদ, কারণ তোমার চোখের পানির মূল্য কেউ না দিলেও, আল্লাহ তোমার প্রতি ফোঁটা অশ্রুর অনেক মূল্য দেবেন।


সামনে আসছে রোজা, হালকা কর গোনাহের বোঝা, যদি কর পাপ চেয়ে নাও মাফ. এসো নিয়ত করি,আজ থেকে সবাই পাঁচওয়াক্ত নামাজ পরি.


হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)বলেছেন ২টা জিনিশ কাছে রাখলে কোন দিন বিপদ আসবেনা ১=কোরআন ২=হাদিস ,ইহা ১০০% সত্য.


হে নারী ! তুমি মা, তোমায় শ্রদ্ধা করি। তুমি বোন, তোমায় সম্মান করি। তুমি বউ, তোমায় ভালবাসি। তুমি মেয়ে, তোমায় স্নেহ করি। তুমি যদি পর্দায় না থাকো, তোমায় ঘৃনা করি।


মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অক্ষম ঐ ব্যক্তি যে ব্যক্তি দোয়া করিতে অক্ষম, অর্থাৎ দোয়া করে না.. (হযরত মুহাম্মাদ সঃ).


হে মুমিনগন,জুমআর দিনে যখন সালাতের আজান দেয়া হয়. তখন তোমরা আল্লাহর স্বরনপানে ত্বারা কর. এবং কেনাবেচা বন্ধকর. এটা তোমাদের জন্য উত্তম. যদি তোমরা এটা বুঝ।


আল্লাহ বলেছেন যে ব্যক্তি আমার ভয়ে ১ফোটা চোখের পানি ফেলবে আমি আল্লাহ তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবে।


ওজু করার পর আকাশের দিকে তাকিয়ে কালিমা শাহাদাত পাঠ করিলে ৪৯ কোটি নেকি আমল নামায় লেখা হয়


. মানুষ সবসময় মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করে কিন্তু জাহান্নাম থেকে নয়। অথচ, মানুষ চাইলে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারে। কিন্তু, মৃত্যু থেকে নয়।


গান বাজনা Delete কর, নামায রোজা Save কর, খারাপ পোস্ট Cut কর, ভাল পোস্ট Share কর, ভিন্ন ধর্মকে Respect কর,, ইসলাম ধর্ম Open কর..!


ফুলের সুবাস চাঁদের হাসি নামাজ কে আমি ভালবাসি, নদীর ঢেও পাখির গান কুরআন আমার সংবিধান সবুজ শেমল রুপে ঘেরা ইসলাম ধর্ম সবার সেরা।


জীবনে ছয়টি জিনিস কখনো ভেঙ্গে ফেলো না? ১=মন. ২=সম্পর্ক. ৩=ভরসা. ৪=ভালোবাসা. ৫=বিশ্বাস. ৬=বন্ধুত্য. সঠিক মনে করলে জানিয়ে দাও।


শুভ রজনী, শুভ দিন রাখো রোযা ৩০দিন, ১১মাসের পাপ ১মাসে করো ছাপ, দিন যায় দিন আসে রোযা পাবেনা প্রতি মাসে... তাই এই পবিত্র মাসে সবটি রোযা রাখো? সবাইকে জানাই{পবিত্র রমজান মোবারক}


হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর {র:} হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,এক বেকতি রাসূল {স:}এর কাছে আরয করল, ইসলামে কোন অবভাসটি উওম? রাসূল{স:}উওরে বললেন, অপর কে খানা খাওয়ানো এবং পরিচিত অপরিচিত সবাই কে সালাম দেওয়া।[বুখারী ও মুসলিম]


১,২,৩ আসছে রোজার দিন। ৪,৫,৬রোজা রাখতে কিসের ভয়। ৭,৮,৯ খারাপ কাজ আর নয়। ১০,১১,১২ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়।


বাকা চাদ,শুভ দিন, রমজানের বাকি আর একদিন, সবাই মিলে শপথ ণিন, রুজা রাখবেন ৩০ দিন, নামায পরবেন প্রতিদিন, সবাই বলুন, আমিন


যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনয়ী হয় আল্লাহ তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন।--মিশকাত


জীবন সাজাই নামায দিয়ে, মন সাজাই ঈমান দিয়ে, শরীর সাজাই নবীর সুন্নতদিয়ে, আর বন্ধু বানাই ইসলামের দাওয়াত দিয়ে..! জুম্মা মোবারাক।♥


ফিতরার নির্দিষ্ট পরিমান ২০১৮ এবং বিস্তারিত জানুন।

বিসমিল্লাহ রাহমানের রাহিম। আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব ফেতরার বিস্তারিত নিয়ে। নিচের বিস্তারিত দেওয়া হল

ফিতরার পরিমাণ এবং ফিতরা আদায় করার সময়কাল -  রমজান: ফিতরার নিয়ম কানুন কোন জিনিস দ্বারা ফিতরা আদায় করা যায় ফিতরা সম্পর্কে বাংলা হাদিস কাকে ফিতরা দেওয়া যাবে মসজিদ নির্মাণে ফিতরা দেওয়া যাবে কিনা যা কার উপর ওয়াজিব ফিতরার বিধান টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে কিনা কি কি জিনিস দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়


আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মা বাদঃ

→ঃ ঈদের নামাযের পূর্বে ফিতরা প্রদান করা যেমন ইসলামের একটি সুন্দর বিধান, তেমন তা সঠিক সময়ে ও সঠিক নিয়মে বণ্টন করাও গুরুত্বপূর্ণ বিধান। কিন্তু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফিতরা বণ্টনের নিয়ম ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে একটি বহুল প্রচলিত নিয়ম হচ্ছে: লোকেরা তাদের ফিতরা মসজিদের ইমাম কিংবা গ্রামের সর্দারের কাছে ঈদের নামাযের পূর্বে আর অনেকে নামাযের পরে জমা করে দেয়।

→ঃ ফিতরা দাতারা ধান, গম, চাল এবং অনেকে টাকা দ্বারা ফিতরা দিয়ে থাকেন। অতঃপর ইমাম কিংবা সর্দার সাহেব কিছু দিন পর সেই জমা কৃত ফিতরা বিক্রয় করে দেন। তার পর তিনি সেই মূল্য অর্থাৎ টাকা-পয়সা বিতরণ শুরু করেন। ফিতরা যারা নিতে আসেন তাদের মধ্যে ফকীর-মিসকিন, মাদরাসার ছাত্র এবং ইসলামী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলিও থাকে। এরা অনেকে কাছাকাছি অঞ্চলের হয় আর অনেকে দূরেরও হয়। সাধারণত: এই পদ্ধতিতেই বেশির ভাগ স্থানে ফিতরা বণ্টন করা হয়ে থাক। কোথাও একটু ব্যতিক্রম থাকলে সেটা অবশ্য আলাদা কথা।

→ঃ এবার ফিতার সর্বনিম্ন পরিমান :৭০ টাকা আর সর্বচ্ছো পরিমান ২৩১০ টাকা। 

→ঃ এই নিয়মকে কেন্দ্র করে সুন্নতের অনুসারী ভাইদের কয়েকটি বিষয় জানা একান্ত প্রয়োজন।

→ঃ এখন ফিতরা সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত দেওয়া হলো...


ক - ★ কি কি জিনিস দ্বারা এবং কত পরিমাণ ফিতরা দেওয়া সুন্নত ?

♣ ★ এর উত্তর সহীহ হাদীসে স্পষ্ট বর্ণিত হয়েছে যার, ফল কথা হল: খেজুর, যব, কিশমিশ, পনীর কিংবা প্রধান খাদ্য দ্রব্য দ্বারা ফিতরা দেওয়া সুন্নত, মূল্য দ্বারা নয়। আর এক জন ব্যক্তিকে এক সা’ ফিতরা দিতে হবে, যার পরিমাণ সাধারণ মানুষের চার পূর্ণ অঞ্জলি সমান। [ফাতাওয়া মাসায়েল, মাওলানা কাফী, পৃঃ ১৭২-১৭৩] কেজির ওজনে তা আড়াই কিলোর কম নয়।

ইবনে উমার (রাযি:) হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন:

‘‘ আল্লাহর রাসূল যাকাতুল ফিতর স্বরূপ এক ’সা খেজুর কিংবা এক ’সা যব ফরয করেছেন মুসলিম দাস, স্বাধীন ব্যক্তি, পুরুষ ও নারী এবং ছোট ও বড়র প্রতি। আর তা লোকদের নামাযে বের হওয়ার পূর্বে আদায় করে দিতে আদেশ করেছেন”। [ বুখারী, অধ্যায়: যাকাত হাদীস নং ১৫০৩/ মুসলিম নং ২২৭৫]

উক্ত হাদীসে দুটি খাদ্য দ্রব্যের নাম পাওয়া গেল যা, দ্বারা নবীর যুগে ফিতরা দেওয়া হত। একটি হচ্ছে খেজুর অপরটি যব। এবার নিম্নে আর একটি হাদীস পাঠ করুন।

আবু সাঈদ খুদরী (রাযি:) বলেন :

‘‘আমরা-নবীজীর যুগে যাকাতুল ফিতর বের করতাম এক শ্বা খাদ্য দ্রব্য কিংবা এক শ্বা যব কিংবা এক শ্বা খেজুর কিংবা এক শ্বা পনীর কিংবা এক শ্বা কিশমিশ’’ [ বুখারী- ১৫০৬ মুসলিম-২২৮১]

এই হাদীসে খেজুর ও যব ছাড়া আরও যে কয়েকটি বস্তুর নাম পাওয়া গেল তা হল : কিশমিশ, পনীর এবং খাদ্য দ্রব্য। উল্লেখ থাকে যে,
নবীজীর মৃত্যুর পর মুয়াবিয়া (রাযি:) এর খেলাফত কালে অনেকে গম দ্বারা ফিতরা দিতেন। [ বুখারী হাদীস নং ১৫০৮ মুসলিম ২২৮১ ]



খ - ★ফিতরা আদায় করার সময়সীমা :★

* ফিতরা আদায় করার উত্তম সময় হচ্ছে ঈদের দিনে ঈদের নামাযে বের হওয়ার পূর্বক্ষণে। অর্থাৎ ফিতরা দিয়ে নামায পড়তে যাওয়া।
ইবনে উমার থেকে বর্ণিত,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাকাতুল ফিতর আদায় করার আদেশ দেন লোকদের নামাযে বের হওয়ার পূর্বে ’’। [ বুখারী, নং ১৫০৯ ]

* তবে ফিতরা দেয়ার সময় শুরু হয় রমযানের শেষ দিনে সূর্য ডুবার সাথে সাথে। [ সউদী ফাতাওয়া কমিটি ৯/৩৭৩]

* কেউ ঈদের এক দুই দিন পূর্বেও তা দিতে পারে কারণ সাহাবিদের মধ্যে কেউ কেউ ঈদের এক দুই দিন পূর্বে তা আদায় করতেন। [ বুখারী, নং১৫১১]

* কেউ ঈদের পরে ফিতরা দিলে সেটা সাধারণ দান হিসাবে গণ্য হবে এবং সে ফিতরার বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা হতে বঞ্চিত থাকবে। [ আবু দাউদ,অধ্যায়: যাকাত,অনুচ্ছেদ: ফিতরের যাকাত ]



গ - ★ফিতরা নিজে বিতরণ করা :★

আসল হচ্ছে প্রত্যেক ব্যক্তি তার ফিতরা সে নিজে হকদারকে পৌঁছে দিবে। [ সউদী ফাতাওয়া কমিটি ৯/৩৮৯]

কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদেশ:

‘‘ এবং তিনি তা লোকদের নামাযে বের হওয়ার পূর্বে আদায় করে দেয়ার আদেশ করেন’’। কথাটি প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য স্বতন্ত্র আদেশ। এরকম নয় যে, সবাই একত্রে জমা করে তা বিতরণ কর। এই কারণে সাহাবী ইবনে উমার তাঁর ফিতরা হকদারদের এক দুই দিন পূর্বে বিতরণ করে দিতেন। [ বুখারী নং ১৫১১]

* নিয়ম হবে প্রত্যেক ব্যক্তি তার গ্রাম বা শহররে আশে পাশে যাকে ফিতরা পাবার হকদার মনে করবে তাকে ফিতরা দিয়ে আসবে। বর্তমানে সউদী আরবে অধিকাংশ লোকেই এই পদ্ধতিতে ফিতরা আদায় করে থাকে।

* তবে নির্ভরযোগ্য কোন সংস্থা , সর্দার বা ইমামকেও নিজ ফিতরা বণ্টনের প্রতিনিধি করা জায়েজ। [ সউদী ফাতাওয়া কমিটি ৯/৩৮৯] এ ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে ও সঠিক সময়ে বণ্টনের দায়িত্ব তাদের উপর বর্তাবে।



ঘ - ★ফিতরা একত্রে জমা করে কিছু দিন পর বিক্রয় করে মূল্য বিতরণ করা:★

আমাদের মনে রাখা দরকার যে, খাদ্য দ্রব্য দ্বারাই ফিতরা দেওয়া সুন্নত; মূল্য দ্বারা নয়। যেমনটি উপরে বর্ণিত হয়েছে। খাদ্য দ্রব্য বিক্রি করে মূল্য বিতরণ করলে পরোক্ষভাবে মূল্য দ্বারাই ফিতরা দেওয়া হল যা, সুন্নতের বরখেলাফ। আর ঈদের নামাযের পূর্বে ফিতরা আদায় করার যে হাদীসগুলি বর্ণিত হয়েছে তার অর্থ এটা নয় যে, নামাযের পূর্বে ফিতরা জমা কর এবং পরে তা বিতরণ কর। এ বিষয়ে বর্ণিত হাদীসটি যয়ীফ, তবুও আবার পরে বলতে যদি ঈদের কয়েক দিন পরে বিতরণ করা হয়। ঈদের আগে ফকীর- মিসকিনদের হাতে খাবার পৌঁছালে না তারা আনন্দিত হবে বা খুশি করার সুযোগ পাবে। নচেৎ তাদের যেই সমস্যা অন্য দিনে থাকে তা ঈদের দিনেও থাকবে।

• এ বিষয়ে সউদী স্থায়ী উলামা পরিষদের ফতোয়া :
জেদ্দার জামইয়াতুল বির (জন কল্যাণ সংস্থা) নামক সংস্থা সউদী ফাতাওয়া বোর্ডের নিকট প্রশ্ন করে যে, তারা অনেক এতীম, অভাবী ছাত্র, দুস্থ পরিবার ও বিকলাঙ্গদের আর্থিক সহযোগিতা সহ খাবার দ্রব্যাদি সরবরাহ করে থাকে। তারা কি লোকদের ফিতরা নিয়ে পরে ধীরে ধীরে বিতরণ করতে পারবে ? কিংবা টাকা-পয়সা নিয়ে তা দ্বারা পরে খাদ্য দ্রব্য কিনে তাদের মাঝে বিতরণ করতে পারবে ?

উত্তরে ফাতায়া বোর্ড বলেন : সংস্থার উপর জরুরী যে, তারা যেন ফিতরার হকদারদের মাঝে তা ঈদের নামাযের পূর্বেই বণ্টন করে দেয়। এর বেশী দেরী করা জায়েজ নয় ; কারণ নবী (সা:) ফকীরদের মাঝে তা ঈদের নামাযের পূর্বে পৌঁছে দিতে আদেশ করেছেন। সংস্থা ফিতরা দাতার পক্ষ হতে এক জন প্রতিনিধি স্বরূপ। সংস্থা সেই পরিমাণেই ফিতরা গ্রহণ করবে , যেই পরিমাণ সে ঈদের নামাযের পূর্বে বণ্টন করতে সক্ষম। আর ফিতরায় মূল্য দেওয়া জায়েজ নয়। কারণ শরীয়তী দলীলসমূহ খাদ্য বস্তু দ্বারা ফিতরা বের করাকে জরুরী করেছে।তাই শরীয়তী দলীলের পরিবর্তে কোন মানুষের কথার দিকে ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না। আর ফিতরা দাতারা যদি সংস্থাকে অর্থ দেয় এই উদ্দেশ্যে যে সংস্থা সেই অর্থ দ্বারা খাদ্য দ্রব্য ক্রয় করে তা ফকীরদের মাঝে বিতরণ করবে, তাহলে সংস্থাকে ঈদের নামাযের পূর্বেই তা বাস্তবায়ন করতে হবে। সংস্থার জন্য বৈধ নয় যে, সে মূল্য বের করবে। [ ফতুয়া নম্বর ১৩২৩১, খণ্ড ৯/৩৭৭]



★ঙ - ফিতরার হকদার কারা ?★

ফিতরা পাবার যোগ্য কারা বা ফিতরার হকদার কোন্ কোন্ প্রকারের লোকেরা ? এ বিষয়ে ইসলামী বিদ্বানগণের মতভেদ রয়েছে।

একদল বিদ্বান মনে করেন: যারা সাধারণ সম্পদের যাকাতের হকদার তারাই ফিতরের যাকাতের (ফিতরার) হকদার। আর তারা হল আট প্রকারের লোক:

১- ফকীর

২- মিসকিন

৩- সাদাকা আদায়ের জন্য নিযুক্ত কর্মচারী

৪- যাদের অন্তর ইসলামের পথে আকর্ষণ করা প্রয়োজন

৫-দাস-মুক্তির জন্যে

৬- ঋণগ্রস্তদের ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে

৭- আল্লাহর রাস্তায়

৮- মুসাফিরদের সাহায্যার্থে ( সূরা তওবা /৬০]

এই মত পোষণকারীদের দলীল হল : ফিতরের সাদাকাকে অর্থাৎ ফিতরাকে নবীজী যাকাত ও সাদাকা বলেছেন তাই যেটা মালের যাকাতের খাদ হবে, সেটাই ফিতরারও হবে। সাদাকার যেই খাদ আল্লাহ সূরা তওবায় উল্লেখ করেছেন সেই খাদ সাদাকাতুল ফিতরের জন্যও হবে।

অন্য এক দল বিদ্বান মনে করেন : সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা কেবল ফকীর মিসকিনদের হক, অন্যদের নয়।

এই মত পোষণকারীদের দলীল হল : ইবনে আব্বাস (রাযি:) এর হাদীস, তিনি বলেন :
আল্লাহর রাসূল ফিতরের যাকাত (ফিতরা) ফরয করেছেন রোজাদারের অশ্লীলতা ও বাজে কথা-বার্তা হতে পবিত্রতা এবং মিসকিনদের আহার স্বরূপ .. ’’ [আবু দাউদ, যাকাতুল ফিতর নং ১৬০৬/ হাদীস হাসান, ইরওয়াউল গালীল নং ৮৪৩]

এই মতকে সমর্থন জানিয়েছেন ইবনে তাইমিয়্যাহ, ইবনুল ক্বাইয়্যূম, শাওকানী, আযীমাবাদী, ইবনু উসাইমীন সহ আরও অনেকে। [ দেখুন: মাজমুউ ফাতাওয়া ২৫/৭৩,যাদুল মাআদ ২/২২, নায়লুল আউত্বার ৩-৪/৬৫৭, আওনুল মা’বূদ ৫-৬/৩, শারহুল মুমতি ৬/১৮৪]

এই মতটিই অধিক সহীহ কারণ :

(ক) এই মতের পক্ষে দলীল বিদ্যমান আর প্রথম মতটি একটি কিয়াস (অনুমান) মাত্র। আর দলীল-প্রমাণের বিদ্যমানতায় কিয়াস বৈধ নয়।

(খ) ফিতরাকে যাকাত বলা হলেও উভয়ের মধ্যে আছে অনেক পার্থক্য। ফিতরা এমন ব্যক্তির উপরও জরুরী যার বাড়িতে সামান্য কিছু খাবার আছে মাত্র। কিন্তু যাকাত কেবল তার উপর জরুরী যে বিশেষ এক ভাল অংকের অর্থের মালিক। যাকাত ধন-সম্পদের কারণে জরুরী হয় কিন্তু ফিতরা ইফতারের কারণে দিতে হয়। এসব কারণে ফিতরা ও যাকাতকে এক মনে করা অসমীচীন।

বাকি থাকলো ফিতরাকে এই কারণে সাদাকা বলা হয়েছে যে, সাদাকা একটি দানের ব্যাপক শব্দ। যাকাত, ফিতরা এবং সাধারণ দানকেও সাদাকা বলা হয়। সাদাকা বললেই যে যাকাতকে বুঝায় তা নয়। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন : ‘‘ কুল্লু মা’রুফিন সাদাকা’’ অর্থাৎ প্রত্যেক ভাল কাজ সদকা। তবে নি:সন্দেহে প্রত্যেক ভাল কাজ যাকাত নয়। তবুও নবীজী সাদাকা বলেছেন। তাই ফিতরাকে সাদাকা বলার কারণে তা যাকাতের অন্তর্ভুক্ত হবে না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, যাকাতুল ফিতরের খাদসমূহের মধ্যে মাদরাসা ও মসজিদ নেই। কিন্তু মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক এবং মসজিদের ইমাম যদি ফকীর মিসকিনদের অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে তারা ফিতরার হকদার হিসেবে গণ্য হবেন বরং অন্যান্য ফকীর মসিকীনদের থেকে তারা বেশী হকদার হবেন। কারণ এঁরা দ্বীনের শিক্ষা অর্জনে ও অন্যকে শিক্ষা দানে নিয়োজিত, যেই গুণটি অন্য ফকীর মিসকিনদের নেই। [ আর যা সঠিক তা আল্লাহই ভাল জানেন]






tag :
ফিতরার পরিমাণ এবং ফিতরা আদায় করার সময়কাল -
রমজান: ফিতরার নিয়ম কানুন কোন জিনিস দ্বারা ফিতরা আদায় করা যায় ফিতরা সম্পর্কে বাংলা হাদিস কাকে ফিতরা দেওয়া যাবে মসজিদ নির্মাণে ফিতরা দেওয়া যাবে কিনা যা কার উপর ওয়াজিব ফিতরার বিধান টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে কিনা কি কি জিনিস দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়

আচার ব্যাবহারের বাংলা হাদিশ সমুহ।


বিসিমললাহহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন । আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বাংলা আচার ব্যাবহার এর কিছু সহীহ বুখারি শরীফের হাদিস। আশা করি আপনার বাস্তব জীবনে একটু হলেও উপকারে আসবে ....






''''" মূসা’দ্দাদ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলো: আমি কি জিহাদে যাব? তিনি বলেনঃ তোমার কি পিতা-মাতা আছে? সে বলল হাঁ। তিনি বললেনঃ তা হলে তাদের (সেবার) মাঝে জিহাদ করো।



""" স্বাদ ইবনু হাফস মুগীরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা-আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মা-বাপের নাফরমানী করা, প্রাপকের প্রাপ্য আটক রাখা, যে জিনিস গ্রহন করা তোমাদের জন্য ঠিক নয় তা তলব করা এবং কন্যা সন্তানকে জীবিত কবর দেওয়া। আর তিনি তোমাদের জনা অপছন্দ করেছেন গল্প-গুজব করা, অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা ও সম্পদ নষ্ট করা।


"""" ইসহাক (রহঃ) আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের সবচেয়ে বড় গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করব না? আমরা বললামঃ অবশ্যই সতর্ক করবেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার নাফরমানী করা। এ কথা বলার সময় তিনি হেলান দিয়ে বসাছিলেন। এরপর (সোজা হয়ে) বসলেন এবং বললেনঃ মিথ্যা বলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া, দুবার করে বললেন এবং ক্রমাগত এ কথাই বলে চললেন। এমনকি আমি বললাম- তিনি মনে হয় থামবেন না।


"""" মুহাম্মদ ইবনু ওয়ালীদ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবীরা গুনার কথা উল্লেখ করলেন অথবা তাকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা। মানুষ হত্যা করা ও মা-বাপের নাফরমানী করা। তারপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের কবীরা গুনাহর অন্যতম গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করবো না? পরে বললেনঃ মিথ্যা কথা বলা। অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। শুবা (রহঃ) বলেনঃ আমার প্রবল ধারণা হয় যে, তিনি বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।


"""" হুমায়দী (রহঃ) আবূ বকর (রা-)-এর কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে আমার অমুসলিম মা আমার কাছে এলেন। আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞাসা করলামঃ তার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবো কি না? তিনি বললেনঃ হা। ইবনু উয়ায়না (রহঃ) বলেন, এ ঘটনা প্রসঙ্গেই আল্লাহ তাআলা নাযিল করেন: যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে না তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করছেন না।


"""" ইয়াহইয়া (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) তাকে জানিয়েছেন যে, (রোম সমরাট) হিরাক্লিয়াস তাকে ডেকে পাঠায়। আবূ সুফিয়ান (রহঃ) বললো যে, তিনি অর্থাৎ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে যাকাত দিতে, পবিত্র থাকতে এবং রক্তের সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখতে আদেশ করেন।


"""আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) আবূ আইউব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যাক্তি বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়ে দিন, যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।


"""" ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) জুবায়র ইবনু মুতইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ আত্নীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।


"""" ইবরাহীম ইবনু মুনযির (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি: যে লোক তার রিযক প্রাপ্তি করতে এবং আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।


"""" ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি চায় যে, তার রিযক প্রাপ্ত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি হোক; সে যেন তার আত্নীয়তার সাম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখে।


""" খালিদ ইবনু মাখলাদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: রক্ত সম্পর্কের মূল রহমান। আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ যে তোমার সাথে সুসম্পর্ক রাখবে, আমি তার সাথে সুসম্পর্ক রাখবো। আর যে তোমার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, আমিও তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করবো।


"""" সাঈদ ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আত্মীয়তার হক রাহমানের মূল। যে তা সঞ্জীবিত রাখবে, আমি তাকে সঞ্জীবিত রাখেবো। আর যে তা ছিন্ন করবে! আমি তাকে (আমার থেকে) ছিন্ন করবো।


""" মুহাম্মাদ ইবনু কাসীর (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাবী সুফিয়ান বলেন, আমরা এ হাদীস মারফুরুপে বর্ণনা করেননি। অবশ্য হাসান ইবনু আমর) ও ফিতর (রহঃ) একে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মারফূ হিসেবে বর্ননা করেছেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিদানকারী আত্মীয়তার হক আদায়কারী নয়। বরং আত্মীয়তার হক আদায়কারী সে ব্যাক্তি, যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পরও তা বজায় রাখে।


"""" আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে এলেন। তখন উমামা বিনত আবূল আস তার কাঁধের উপর ছিলেন। এমতাবস্থায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ) দাড়ালেনা যখন তিনি রুকুতে যেতেন, তাকে নামিয়ে রাখতেন, আবার যখন উঠে দাড়াতেন! তখন তাকেও উঠিয়ে নিতেন।


"""" আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার হাসান ইবনু আলীকে চুম্বন করেন। ঐ সময় তার নিকট আকরা ইবনু হাবিস তামীমী (রাঃ) বসা ছিলেন। আকরা ইবনু হাবিস (রাঃ) বললেনঃ আমার দশ টি পুত্র আছে-আমি তাদের কাউকেই কোন দিন চুম্বন করিনি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকালেন, তারপর বললেনঃ যে দয়া করে না তাকে দয়া করা হয় না।


""" মুহম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললো। আপনারা শিশুদের চুম্বন করে থাকেন, কিন্তু আমরা ওদের চুম্বন করি না। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ যদি তোমার অন্তর থেকে রহমত উঠিয়ে নেন, তবে আমি কি তোমার উপর (তা ফিরিয়ে দেওয়ার) অধিকার রাখি?


"""" হাকাম ইবনু নাফি- (হা) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ রহমত একশ ভাগে ভাগ করেছেন। তার মধ্যে নিরানব্বই ভাগ তিনি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। আর একভাগ নাযিল করেছেন। ঐ একভাগের কারনেই সৃষ্ট জগত একে অন্যের উপর দয়া করে। এমনকি ঘোড়া তার বাচ্চার উপর থেকে পা তুলে নেয় এ ভয়ে যে, সে ব্যথা পাবে।


""" মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি শিশুকে নিজের কোলে নিলেন। তারপর তাকে তাহনীক, করালেন। শিশুটি তার কোলে পেশাব করে দিল। তখন তিনি পানি আনতে বললেন এবং তা (পেশাবের স্থানে) ঢেলে দিলেন।


"""" আবদুল্লাহ ইবনু আবদূস ওহাব (রহঃ) সাহল ইবনু স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ও ইয়াতীমের তত্বাবধানকারী জান্নাতে এভাবে (পাশাপাশি) থাকবো। এ কথা বলার সময় তিনি তর্জনী ও মধামা আঙ্গুল মিলিয়ে ইশারা করে দেখান।


"""" আবদুল্লাহ ইবনু মাসালামা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিধবা ও মিসকীনদের অভাব দুর করার চেষ্টারত ব্যাক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারীর তুল্য। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেনঃ) আমার ধারণা যে কানাবী (বুখারীর উস্তাদ আবদুল্লাহ) সন্দেহ প্রকাশ করেছেনঃ সে সারারাত দণ্ডায়মান ব্যাক্তির ন্যায় যে (ইবাদতে) ক্লান্ত হয় না এবং এমন সিয়াম পালনকারীর ন্যায় যে সিয়াম ভাঙ্গে না।


"""" আবূ নুঁআয়ম (রাঃ) নুমান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমি মু-মিনদের পারস্পরিক দয়া ভালবাসা ও সহানূভূতি প্রদর্শনে একটি দেহের ন্যায় দেখতে পাবে। যখন দেহের একটি অঙ্গ রোগে আক্রান্ত হয় তখন শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রাত জাগে এবং জ্বরে অংশ গ্রহণ করে।


"""" আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন-নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলমান যদি কোন গাছ লাগায়, তা থেকে কোন মানুষ বা জানোয়ার যদি কিছু খায় তবে তা তার জন্য সাদাকা হিসেবে গণ্য হবে।


"""" উমর যেন হাফস (রহঃ) জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যাক্তি (সৃষ্টির প্রতি) দয়া করে না, (স্রষ্টার পক্ষ থেকে) তার প্রতি দয়া করা হবে না


"""" ইসমাঈল ইবনু আবূ উয়াইস (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে জিবরাঈল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসীয়ত করে থাকেন। এমনকি, আমার মনে হয়, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস বানিয়ে দিবেন।


""" মুহাম্মদ ইবনু মিনহাল (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জিবরাঈল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বরাবরই আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে অসীয়ত করে থাকেন। এমনকি আমার মনে হয় যে অচিরেই তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিস বানিয়ে দিবেন।


""" আসিম ইবনু আলী (রহঃ) আবূ সুরাইয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা বলছিলেনঃ আল্লাহর কসম! সে ব্যাক্তি মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে লোক মুমিন নয়! আল্লাহর কসম। সে ব্যাক্তি মুঁমিন নয়। জিজ্ঞাসা করা হলঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ কে সে লোক? তিনি বললেনঃ যে লোকের প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকে না।


"""" আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ হে মুসলিম মহিলাগণ। কোন প্রতিবেশী নারী যেন তার অপর প্রতিবেশী নারীকে (তার পাঠানো হাদিয়া ফেরত দিয়ে) হেয় প্রতিপন্ন না করে। যদিও তা বকরীর পায়ের ক্ষুর হোক না কেন।


""" কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহতে ও আখিরাতের দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। যে আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস করে, সে যেন ভাল কথা বলে- অথবা চুপ করে থাকে।


""""আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর বিদ্বেষ ভাবাপন্ন হয়ো না, হিংসা করো না এবং একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন থেকেো না। আর তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা ও পরস্পর ভাই-ভাই হয়ে থেকো। কোন মুসলমানের জন্য জায়েয নয় যে, সে তার ভাই থেকে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকবে।


"""" আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ আইউব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তির জন্য হালাল নয় যে সে তার ভাই-এর সাথে তিন দিনের বেশী এমনভাবে সম্পর্ক ছিন্ন রাখবে যে, দু-জনে সাক্ষাৎ হলেও একজন এদিকে আর অপর জন সে দিকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাদের মধ্যে যে সর্ব প্রথম সালামের সূচনা করবে, সেই উত্তম ব্যাক্তি।


"""" মুহাম্মদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন (একদিন) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তোমার রাগ ও খূশী উভয়ই বুঝতে পারি। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি তা কি ভাবে বুঝে নেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ? তিনি বললেনঃ যখন তুমি খুশী থাক, তখন তুমি বলোঃ হাঁ, মুহাম্মদের রবের কসম! আর যখন তুমি রাগান্বিত হও, তখন তুমি বলে থাকোঃ না, ইবরাহীমের রবের কসম! আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি বললাম হাঁ। আমিতো শুধু আপনার নামটি বর্জন করি।


"""ইবরাহীম ইবনু মূসা ও লায়স (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার বুঝ হওয়ার পর থেকেই আমি আমার বাবা-মাকে ইসলামের অন্তর্ভুক্তই পেয়েছি। আমাদের উপর এমন কোন দিন অতিবাহিত হতো না, যে দিনের উভয় প্রান্তে সকালে ও বিকেলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসতেন না। একদা ঠিক দুপূর বেলায় আমরা আবূ বকর (রাঃ)-এর কক্ষে বসা ছিলাম। একজন বলে উঠলেনঃ এই সে রাসুল! তিনি এমন সময় এসেছেন, যে সময় তিনি আমাদের এখানে আসেন না। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ তাকে কোন গুরত্বপূর্ন বিষয়ই এ মুহর্তে নিয়ে এসেছে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে মক্কা থেকে বের হয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


""" মুহাম্মদ ইবনু সালাম (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলেন এরপর তিনি তাদের সেখানে খাবার খেলেন। এরপর যখন তিনি বেরিয়ে আসার ইচ্ছা করলেন, তখন ঘরের মধ্যে এক জায়গায় (সালাত (নামায/নামাজ)-এর জন্য) বিছানা করতে নির্দেশ দিলেন। তখন তার জন্য পানি ছিটিয়ে একখানা চাটাই বিছিয়ে দেয়া হল। তারপর তিনি এর উপর সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন এবং তাদের জন্য দু’আ করলেন।


""" আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবনু আবূ ইসহাক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইস্তাবরাক কী? আমি বললামঃ তা মোটা ও সুন্দর রেশমী বস্ত্র। তিনি বললেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমরকে বলতে শুনেছি যে, উমর (রাঃ) এক ব্যাক্তির গায়ে একজোড়া মোটা রেশমী বস্ত্র দেখলেন। তখন তিনি সেটা নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খেদমতে এসে বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ আপনি এটি কিনে নিন। যখন আপনার নিকট কোন প্রতিনিধি দল আসবে, (তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য) তখন আপনি এটি পরবেন। তিনি বললেনঃ রেশমী বস্ত্র একমাত্র ঐ ব্যাক্তই পরবে, যার (আখিরাতে) কোন হিসসা নেই। এরপর বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর (রাঃ)-এর নিকট এরুপ একজোড়া কাপড় পাঠালেন। তখন তিনি সেটি নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে এসে বললেনঃ আপনি এটা আমার নিকট পাঠালেন, অথচ নিজেই এ জাতীয় বস্ত্র সম্পর্কে যা বলার তা বলেছিলেন। তিনি বললেনঃ আমি তো এটা একমাত্র এ জন্য তোমার নিকট পাঠিয়েছি, যেন তুমি এর বিনিময়ে কোন মাল গ্রহন করতে পার। এ হাদীসের প্রেক্ষিতে ইবনু উমর (রাঃ) কারুকার্য খচিত কাপড় পড়তে অপছন্দ করতেন। ৫৬৫৩ মূসা’দ্দাদ (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) আমাদের নিকট এলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ও সা-দ ইবনু রাবী-এর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক স্থাপন করে দেন। তারপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বিয়ের পর তাকে বললেনঃ তুমি ওয়ালিমা করো অন্তত একটি বকরী দিয়ে হলেও।


""""মুহাম্মদ ইবনু সাববাহ (রহঃ) আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিত যে, আমি আনাস ইবনু মাসিক (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম। আপনি জানেন কি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইসলামে প্রতিশ্রুতির সম্পর্ক নেই? তিনি বললেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো আমার ঘরে বসে কুরায়শ আর আনসারদের মধ্যে পরস্পর প্রতিশ্রুতির বন্ধন স্থাপন করেন।


""" হিব্বান ইবনু মূসা (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, রিফাআ কুরাবী (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন এবং অকাট্য তালাক দেন। এরপর আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র তাকে বিয়ে করেন। পরে তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ তিনি রিফাআর কাছে ছিলেন এবং রিফাআ তাকে শেষ তিন তালাক দিয়ে দেন এবং তাঁকে আবূদর রহমান ইবনু যুবায়র বিয়ে করেন। আল্লাহর কসমা ইয়া রাসুলুল্লাহ! এর কাছে তো শুধূ এ কাপড়ের মত রঁয়েছে। (একথা বলে) তিনি তাঁর ওড়নার আচল ধরে উঠালেন। রাবী বলেনঃ তখন আবূ বকর (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বসা ছিলেন এবং সাঈদ ইবনু আসও ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি লাভের অপেক্ষায় হুজরার দরজার কাছে বসা ছিলেন। তখন স্বাদ (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) কে উচ্চস্বরে ডেকে বললেনঃ হে আবূ বকর আপনি এই মহিলাকে কেন ধমক দিচ্ছেন না, যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে (প্রকাশ্যে) এসব কথাবার্তা বলছে তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল মুচকি হাসছিলেন। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সম্ভবত তুমি আবার রিফাআ (রাঃ)-এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হবে না। যতক্ষন না তুমি তার এবং সে তোমার মিলন স্বাদ গ্রহন করবে।


""""মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) যায়নাব বিনত উম্মে সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিত যে, একবার উম্মে সুলায়ম (রাঃ) বলেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! আল্লাহ তো সত্য কথা বলতে লজ্জা করেন না। মেয়েলোকের স্বপ্নদোষ হলে তাদেরও কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেনঃ হ্যা। যদি সে পানি (বীর্য) দেখতে পায়। তখন উম্মে সুলায়মা (রাঃ) হেসে দিলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন মেয়ে লোকেরও কি স্বপ্নদোষ হতে পারে? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা না হলে, সন্তানের মধ্যে সা’দৃশ্য হয় কেমন করে?


""""ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়মান (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এমনভাবে মুখভরে হাসতে দেখিনি যে, তার আলা জিহ্বা দেখা যেত। তিনি তো শুধূ মুচকি হাসতেন।


""""উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতের নিকে পৌছায়। আর মানুষ সত্যের উপর প্রতিষ্টিত থেকে অবশেষে সিদ্দীক-এর দরজা লাভ করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়। পাপ তাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর মানূষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মহামিথ্যাবাদী রুপে সাব্যস্ত হয়ে যায়।


"""ইবনু সালাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি: যখন সে কথা বলে, তখন মিথ্যা বলে, আর যখন সে ওয়াদা করে, তখন তা ভঙ্গ করে আর যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় তখন সে তাতে খিয়ানত করে।


""" মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) সাহল ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আজ রাতে (স্বপ্নে)! দু-জন লোককে দেখলাম। তারা বললোঃ আপনি যে লোকটির গাল চিরে ফেলতে দেখলেন, সে বড় মিথ্যাবাদী। সে এমন মিথ্যা বলত যে দুনিয়ার (লোক) আনাচে কানাচে তা ছড়িয়ে দিত। ফলে, কিয়ামত পর্যন্ত তার সাথে এরুপ ব্যবহার হতে থাকবে।


""" ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, মানুষের মধ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে চাল-চলনে, রীতি-নীতিতে ও স্বভাব-চরিত্রে, যার সবচেয়ে বেশী সামঞ্জস্য বিদ্যমান, তিনি হলেন ইবনু উম্মে আবদ। যখন তিনি নিজ ঘর থেকে বের হন, তখন থেকে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত এ সামঞ্জস্য দেখা যায়। তবে তিনি একাকী নিজ গৃহে কিরুপ ব্যবহার করেন, তা আমরা জানিনা। ৫৬৬৮ আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উত্তম বানী হলো আল্লাহর কিতাব। আর সবচে উত্তম চরিত্র হল মুহাম্মদ -এর চরিত্র।


"""" মূসা’দ্দাদ (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কষ্টের কথা শোনার পর আল্লাহ তা আমার চেয়ে অধিক ধৈর্যধারনকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তার জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে; এরপরও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিবিক দান করেন।


""" উম্মুল ইবনু হাফস (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমতের মাল বণ্টন করলেন। তখন এক আনসারী ব্যাক্তি বললঃ আল্লাহর কসম এ বণ্টনে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হয়নি। তখন আমি বললাম: জেনে রেখো, আমি নিশ্চয়ই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এ কথা বলব। সুতরাং আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আসলাম। তখন তিনি তার সাহাবীগণের মধ্যে ছিলেন। এজন্য তার কাছে কথাটা চুপেচুপে বললাম। একথাটি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে বড়ই কষ্টদায়ক হল, তার চেহারার রং বদলে গেল এবং তিনি এত রাগাম্বিত হলেন যে, আমি ভাবলাম, হায়! যদি আমি তার কাছে এ খবর না দিতাম, তবে কত ভাল হত। এরপর বললেনঃ মূসা (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে নিশ্চই এর চেয়েও বেশী কষ্ট দেয়া হয়েছে। তাতেও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।


""" উম্মে ইবনু হাফয (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের তা করার অনুমতি দিলেন। তথাপি একদল লোক তা থেকে বিরত রইল। এ খবর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট পৌছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহর প্রশংসার পর বললেন কিছু লোকের কি হয়েছে। তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহর সম্পর্কে তাদের চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং আমি তাকে তাদের চাইতে অনেক বেশী ভয় করি।


"""" আবদান (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ পর্দার ভেতরে কুমারীদের চেয়েও নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশী লাজুক ছিলেন। যখন তিনি তার কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তার চেহারাতেই এর আভাস পেয়ে যেতাম।


৫৬৭৩ মুহাম্মাদ ও আহমাদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যখন কোন ব্যাক্তি তার মুসলমান ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে ডাকে, তখন তা তাদের দু-জনের কোন একজনের উপর বর্তায়।


""" ইসমাঈল (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ তার ভাইকে কাফির বলবে, তাদের দু-জনের একজনের উপর তা বর্তাবে।


""" মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) সাবিত ইবনু যাহহাক (রাঃ) থেকে বর্নিত যে- নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা কসম খায়, সে যা বলে তাই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্নহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সে বস্তু দিয়েই আযাব দেওয়া হবে। ঈমানদারকে লানত করা! তাকে হত্যা করার সমান। আর যে কেউ কোন ঈসানদারকে কুফরীর অপবাদ দিবে, তাও তাকে হত্যা করার সমান হবে।


""" মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত যে মুঁআয ইবনু জাবাল (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। পূনরায় তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের তিনি সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) সুরা বাকারা পড়লেন। তখন এক ব্যাক্তি; সালাত (নামায/নামাজ) সংক্ষেপ করতে চাইল। সুতরাং-সে (আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। এ খবর মু’আয (রাঃ)-এর কাছ পৌছলে তিনি বললেনঃ সে মুনাফিক! লোকটীর কাছে এ খবর পৌছলে তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খেদমতে এসে বললঃ ইইয়া রাসুলুল্লাহ আমরা এমন এক কাওমের লোক, যারা নিজের হাতে কাজ করি, আর নিজের উট দিয়ে সেঁচের কাজ করি। মুআয (রাঃ) গত রাত্রে সূরা বাকারা দিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে আরম্ভ করলেন, তখন আমি সংক্ষেপে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে নিলাম। এতে মু’আয (রাঃ) বললেন যে, আমি মুনাফিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু’আয। তুমি কি (লোকদের) দ্বীনের প্রতি বিতৃঞ্চ করতে চাও? একথাটি তিনি তিন বার বললেন। পরে তিনি তাকে বললেনঃ তুমি ওয়াশ শামসি ওয়াদ দু-হা আর সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা এবং এর অনুরুপ ছোট সূরা পড়বে।


"""" ইসহাক (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি কসম খায় এবং লাত ও উযযার কসম করে, তবে সে যেন (সাথে সাথেই) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে। আর যদি কেউ তার সাথীকে বলে, এসো আমরা জুয়া খেলি; তবে সে যেন (কোন কিছু) সাদাকা করে।


""" কুতায়বা (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কে একদিন আরোহীর মাঝে এমন সময় পেলেন, যখন তিনি তার পিতার নামে কসম খাচ্ছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চস্বরে তাদের বললেনঃ জেনে রাখ! আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে কসম খেতে নিষেধ করেছেন। যদি কাউকে কসম খেতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহর নামেই কসম খায়, অন্যথায় সে যেন চুপ থাকে। tag+

bangla hadis, আচার ব্যাবহারের হারোর বাংলাহাদিস,ভালো ব্যাবহারের নিয়মাবলী, আচার ব্যাবহারের হাদিসসমূহ,বড়দের সাথে আচরনের নিয়মগুলু, বুখারি শরিফের হাদিস সমূহ, বাংলা হাদিস, আরবি হাদিস,